সর্বশেষ:

এত সাড়া পাব, বুঝিনি »

এত সাড়া পাব, বুঝিনি
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মিউজিক অ্যান্ড ক্যারিয়ার: হাউ টু ফাইন টিউন’ শিরোনামের আয়োজনে বক্তৃতা দিলেন। আমাদের পাঠকদের জন্য আয়োজনটি নিয়ে কিছু বলবেন?

বক্তৃতার বিষয় ছিল চাকরি ও সংগীত, দুটো একসঙ্গে কীভাবে সামলাই। বলেছি, আমি জীবন নিয়ে দ্বিধান্বিত হইনি। আমি জানি আমি কী করতে চাই, তাই সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয় না। যেহেতু চাকরি ও গান দুটোই করতে চাই, তাই আমি দক্ষ হয়ে ওঠার চেষ্টা করি। চেষ্টা থাকে কত দ্রুত কাজগুলো শেষ করতে পারি। কোনোটার কারণে যেন কোনোটা বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর রাখি। এসব কারণেই দুটো একসঙ্গে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। দুটো একসঙ্গে করা আগে অনেক কঠিন ছিল। এখন আমাদের দল একটি জায়গায় পৌঁছেছে, তাই কাজগুলো আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে।

নতুন গানের কাজ শুরু করেছেন?

হ্যাঁ, সিনেমার গান। এ ছাড়া অনলাইনে প্রকাশের পর নিজেদের অ্যালবাম উধাও এবার সিডি আকারে আসছে শিগগির।

অনলাইনে প্রকাশের পর ‘উধাও’ থেকে কতটা সাড়া পেয়েছেন?

বেশ সাড়া পেয়েছি। তবে মানুষ এখনো অ্যাপের মাধ্যমে গান শুনতে ততটা অভ্যস্ত হয়ে ওঠেনি, সে জন্য সবার কাছে গানগুলো পৌঁছায়নি। তাই সবার কাছে পৌঁছানোর জন্য সিডি আসছে।

‘ডুব’-এর গান ইতিমধ্যে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। কেমন লাগছে?

এ ধরনের গান থেকে এত সাড়া পাব, বুঝিনি। সিনেমার জন্য সবাই একটু দ্রুতলয়ের গান চায়। কিন্তু এটি গভীর চিন্তার গান। সবাই খুব পছন্দ করেছে, মাত্র ছয় দিনে ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভিউ ও শেয়ার হয়েছে। গানটা করে আমরাও অনেক তৃপ্ত। এটা আমাদের অনেক সময় নিয়ে করা একটি কাজ। গানটির পেছনে ফারুকী ভাইয়ের (ডুব ছবির নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী) অবদান অনেক। তিনি আমাদের পেছনে লেগে ছিলেন, তাঁর কিছু শব্দও আমরা ব্যবহার করেছি। আসলে যেসব গান মানুষের অনুভূতির কথা বলে, সেগুলো করতে আমরা সব সময় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

কিআনন্দে কী কী গান শোনাবেন?

‘দুনিয়া’, ‘শহরের কাকটাও’, ‘জাদুর শহর’, ‘কানামাছি’, ‘আমি ছোট আমাকে মেরো না’ আর ডুব ছবির নতুন ও একমাত্র গান ‘আহা জীবন’ শোনাব।

আপনার নিজের কিশোরবেলার সঙ্গে এখনকার কিশোরদের মিল বা অমিল কতটা?

এখনকার কিশোর চোখগুলো অনেক সরল, কৌতূহলী, সহজ। কিশোর মনগুলো অনেক বেশি স্বাধীনচেতা, যা-ইচ্ছে-তাই। আমাদের সময়ে ওদের মতো এত সুবিধা ছিল না, ইন্টারনেট ছিল না। ওরা তাই অনেক অগ্রসর। যে বয়সে আমরা অনেক বোকা বোকা ছিলাম, ওরা সেই বয়সটায় অনেক বুদ্ধিমান। ওরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারে সহজে। এখন যেমন কিশোর আলোর অনুষ্ঠান হচ্ছে, আমাদের সময়ে এ রকম ছিল না। পাশাপাশি ওরা অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছে, ওদের অনেক জায়গায় নিজেকে প্রমাণ করতে হয়, প্রতিযোগিতা অনেক।

সাক্ষাৎকার: রাসেল মাহ্‌মুদ

নিউজটি পড়েছেন 906 জন

আর্কাইভস