সর্বশেষ:

ধুনটে ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে তোলা হচ্ছে বালু »

ধুনটে ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে তোলা হচ্ছে বালু
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বগুড়ার ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নাম ভাঙিয়ে দুই নেতা বাঙ্গালী নদীর বিলচাপড়ী ঘাট এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। প্রায় এক মাস ধরে বালু উত্তোলনের ফলে পাশের সেতু, সড়ক, বাজার ও কলেজের অবকাঠামো ভাঙনের আশঙ্কা করছে স্থানীয় লোকজন।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে বিভিন্ন স্থাপনা রক্ষার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষে নদীর তীরবর্তী বিলচাপড়ী আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগটি আজও আমলে নেননি ইউএনও।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাঙ্গালী নদীর বিলচাপড়ী ঘাট এলাকায় আট কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর দুই পাশে গড়ে উঠেছে বাজার। সেই বাজারে নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। নদীর পশ্চিম তীরে বিলচাপড়ী আইডিয়াল কলেজ। সেতুর উত্তর পাশে ও কলেজের পূর্ব পাশে চারটি খনন যন্ত্র দিয়ে অবাধে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। এই বালু উত্তোলন করছেন কালেরপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও এলাঙ্গী ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য রবিউল ইসলাম উৎসব। নদী থেকে বালু উত্তোলন করায় পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে নদীর পানি শুকিয়ে গেছে। তাই ভাঙনের কোনো আলামত নেই। কিন্তু বর্ষাকালে যখন পানিতে নদী ভরে উঠবে, তখন বালু উত্তোলনের বিরূপ প্রভাব দেখা দেবে। বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবল স্রোতে নদীভাঙন শুরু হবে। তখন সেতু, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম ও যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম উৎসব জানান, ইউএনওর তত্ত্বাবধানে এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। তাই ইউএনওর চাহিদা অনুযায়ী ঘর নির্মাণের জন্য নদী থেকে বালু উত্তোলনের পর তা ট্রাকে করে সরবরাহ করা হচ্ছে।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, ‘সরকারি ঘর নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ায় সপ্তাহখানেক আগে বালু উত্তোলন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তার পরও বালু উত্তোলন করে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ কালের কণ্ঠ

নিউজটি পড়েছেন 380 জন

আর্কাইভস