সর্বশেষ:

ধুনট পৌর এলাকার রাস্তার বেহাল দশা, ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ - »

ধুনট পৌর এলাকার রাস্তার বেহাল দশা, ঝুঁকি নিয়ে চলছে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ

ধুনট পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ অনেক রাস্তার সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ওইসব সড়কে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে শিক্ষার্থী সহ জনসাধারণ। ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে জনগণকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে রাস্তাগুলো সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট সবার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ধুনট পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ এপ্রিল’২০০১ সালে, এই পৌরসভার আয়তন ৫.৯২ বর্গকিলোমিটার, পৌরসভার লোক সংখ্যা মোট= ২০,০০০ জন, পৌর এলাকার শিক্ষার হার ৭৫%, মোট ওয়াড সংখ্যা ০৯টি, মোট হোল্ডিং সংখ্যা ৩,৬৬০টি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) প্রায় ১০ বছর আগে ধুনট পৌর এলাকায় ধুনট-শেরপুর সড়ক, ধুনট-সোনামুখী সড়ক, ধুনট-শেরপুর সড়ক ও ধুনট-গোসাইবাড়ি পাকা সড়ক নির্মাণ করে। পরে সওজ বিভাগ সড়কগুলো সংস্কার করলেও পৌর এলাকার অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে হাত দেয়নি। রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে ওই সড়কগুলো চলাচলোর অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ধুনট মাছ বাজার থেকে টিএনটি মোড় পর্যন্ত, ধুনট কাচা বাজার থেকে ধুনট হাইস্কুল খেলার মাঠ পর্যন্ত, পোষ্ট অফিস থেকে হাইস্কুল খেলার মাঠ পর্যন্ত, ধুনট উপজেলা পরিষদ থেকে টিএনটি মোড় পর্যন্ত, ধুনট সদর মন্দির থেকে সদরপাড়া ভিতর দিয়ে ছানোয়ার কমিশনারের বাড়ি পর্যন্ত, সদর মন্দির থেকে বালিকা বিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে উত্তর দিকে কণা কমিশনারের বাড়ি পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানা-খন্দে পরিনত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে রাস্তা। ওইসব গর্তে পড়ে যানবাহনসহ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ।
এ ব্যাপারে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ধুনট বাজারের আশেপাশে অনেক রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তিনি সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক রবিউল হাসান বলেন, আমি সদরপাড়া এক ভাড়া বাসায় থাকি, সামান্য বৃষ্টি হলেই এক হাটু পানি ও কাঁদার সৃষ্টি হয়। চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়, মাঝে মাঝে মটরসাইকেল পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়। তিনি আরো বলেন অতি দ্রুত এসব রাস্তা সংস্কার করা উচিত।
এবিষয়ে একজন অভিভাবক বলেন মাঝে মাঝে রাস্তার এমন বেহাল দশা হয়, ছোট বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা অসম্ভব হয়ে পড়ে।

সর্বশেষ সংবাদ